যে সকল কাজ বা আমল একজন মুসলিমকে কাফেরে পরিণত করে

529438_486599481396426_1175241568_nমানুষ ইসলাম গ্রহণ করে মুসলমান হয়। আবার মুসলমান হবার পর কুফরী করলে সে কাফির হয়ে যায়। যে ব্যক্তি তার দীন ও ঈমানকে প্রত্যাহার করে কাফির হয় শরীয়তের পরিভাষায় তাকেই মুরতাদ বলা হয়। চাই সে ইসলামের বিরুদ্ধে কথা বলুক, কুফরীর আনুগত্য বা অনুসরণ করুক বা নামায পড়ুক আর না পড়ুক।
আমাদের একটি ভুল ধারণা রয়েছে যে কেউ মুসলিম পরিবারের জন্ম গ্রহণের ফলেই ঈমান তার ওপর জেঁকে বসে। অতএব, ঈমান কার ওপর আনতে হবে, কিভাবে ঈমানকে রক্ষা করতে হবে – এগুলোর জানার কোনই প্রয়োজন নেই। অথচ সমস্ত কুফরকে প্রত্যাখ্যান করে ইসলামী বিধান যথাযথ বাস্তবায়নের মাধ্যমেই ঈমানের ওপর টিকে থাকা এবং নিজেকে সত্যিকার মুসলমান হিসেবে গড়ে তোলা সম্ভব।

একজন মুসলমান হিসেবে আমাদের খুঁজে বের করা প্রয়োজন যে সকল কুফরীর কারণে মুসলমান কাফের হয় অর্থাৎ ইসলামের গন্ডি থেকে বের হয়ে যায় এগুলো নিম্নে দশটি দফায় সংক্ষেপে বর্ণনা করা হলোঃ

একঃ আস-শিরকঃ আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) ইবাদতে শরীক করা, এ ব্যাপারে মহাপরাক্রমশালী আল্লাহ্ বলেছেনঃ

  • ‘‘আল্লাহ কেবল শিরকের গুনাহই মাফ করেন না; উহা ব্যতিত আর যত গুনাহ আছে তা যার জন্য ইচ্ছা মাফ করে দেন। যে লোক আল্লাহর সাথে অন্য কাউকেও শরীক করল; সে তো বড় মিথ্যা রচনা করল, এবং বড় কঠিন গুনাহের কাজ করল।’’ (সূরা আন-নিসা ৪, আয়াত ৪৮)

এবং মহাপরাক্রমশালী আরো বলেনঃ

‘‘… বস্ত্তত আল্লাহর সাথে অন্য কাউকেও যে শরীক করেছে আল্লাহ্ তার ওপর জান্নাত হারাম করে দিয়েছেন। আর তার পরিণতি হবে জাহান্নাম। এ সব জালেমের কোনই সাহায্যকারী নেই।’’ (সূরা আল-মায়িদাহ ৫, আয়াত ৭২)

কেউ আল্লাহর সাথে যে বিভিন্ন প্রকার শরীক করতে পারে তার মধ্যে রয়েছে ইতিপূর্বে বর্ণিত অলিহাহ, আরবাব, আনদাদ ও তাগুত।

বর্তমান কালের কয়েকটি বড় বড় শিরক সমূহের মধ্যে রয়েছে মাজার ও কবর পুজা, পীর ও অলি আল্লাহ গায়েব জানেন। অসুস্থকে সুস্থ করতে পারেন। বাচ্চা দিতে পারেন, বিপদ থেকে উদ্ধার করতে পারেন কিংবা আমাদের মনের খবর পীর বাবার জানা ইত্যাদি ধারণা পোষণ করা সুস্পষ্ট শিরক। আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালা একমাত্র আইন ও বিধান দাতা। কুরআন আর সুন্নাহর মাধ্যমে আল্লাহ তায়ালা আমাদেরকে জানিয়ে দিয়েছেন সমাজ, রাষ্ট্র, শিক্ষা, বিচার ব্যবস্থা, শাস্তি, অর্থনীতি কিভাবে চালাতে হবে এবং এগুলির ব্যাপারে আল্লাহর দেয়া বিধানই প্রত্যেক মুসলিমের একমাত্র সংবিধান। যদি কেউ আল্লাহর দেয়া সংবিধানের উপর নিজেরা আইন তৈরি করে তবে তারা তাগুত (আল্লাহদ্রোহী, সীমালংঘনকারী) এ পরিণত হবে। যারা তাগুতের তৈরি সংবিধানকে মানবে তারা আইন মানার বিষয়ে আল্লাহর সাথে শিরক করে মুশরিকে পরিণত হবে। এমনিভাবে আল্লাহর দেয়া শরীয়া আইন বাদ দিয়ে যে সমস্ত বিচারক মানুষের তৈরী করা আইন দিয়ে বিচার ফায়সালা করে তারাও তাগুত। এবং যে সকল লোক তাদের কাছে নিজের ইচ্ছায় বিচার-ফায়সালা নিয়ে যাবে তারাও শিরকের গুনাহতে লিপ্ত হয়ে ইসলাম থেকে বাদ পড়ে যাবে।

❷দুইঃ যে ব্যক্তি তার নিজের এবং আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) মধ্যে মধ্যস্থতা ও যোগাযোগের মাধ্যম বানায় এবং তাদের কাছে তার মনোস্কামনা পূরণের (শাফায়া) জন্য আবেদন-নিবেদন করে এবং তাদের ওপর নির্ভর করে (তাওয়াক্কুল) সে কাফির (অবিশ্বাসী) হয়ে যায়। এটাই অতীত ও বর্তমানকালের মুসলমানদের সর্বসম্মতি (ইজমা)।

‘‘তারা আল্লাহ্কে বাদ দিয়ে এমন বস্ত্তর উপাসনা করে, যা তাদের না করতে পারে কোনো ক্ষতি, না করতে পারে কোনো উপকার। আর তারা বলে, এরা তো আল্লাহর কাছে আমাদের সুপারিশকারী। আপনি বলে দিন, তোমরা কি আল্লাহ্কে এমন বিষয়ে অবহিত করতে চাও, যে সম্পর্কে তিনি আসমান ও জমীনের মাঝে অবহিত নন? তিনি পুতঃপবিত্র ও মহান সে সমস্ত জিনিস থেকে, যে গুলোকে তোমরা শরীক করছো।’’ (সূরা ইউনুছ ১০ঃ আয়াত ১৮)

‘‘জেনে রাখো, নিষ্ঠাপূর্ণ ইবাদত আল্লাহরই নিমিত্ত। যারা আল্লাহ্ ব্যতীত অন্যকে উপাস্যরূপে গ্রহণ করে এবং বলে যে, আমরা তাদের ইবাদত এজন্যই করি যেনো তারা আমাদেরকে আল্লাহর নিকটবর্তী করে দেয়। নিশ্চয়ই আল্লাহ্ তাদের মধ্যে তাদের পারষ্পরিক বিরোধপূর্ণ বিষয়ের ফয়সালা করে দিবেন। আল্লাহ্ মিথ্যাবাদী কাফেরকে সৎপথে পরিচালিত করেন না।’’ (সূরা আয্-যুমার ৩৯, আয়াত ৩ )

এর একটি স্পষ্ট উদাহরণ হবে যদি কোন ব্যক্তি একজন পীর (ধর্মীয় ব্যক্তিত্ব) বা দরবেশের কাছে যায় এবং তাদেরকে সন্তান দেয়ার জন্য দোয়া করার অনুরোধ জানায়, এছাড়াও তাবীজ দিতে বলে আর বিশ্বাস স্থাপন করে পীরবাবার তাবীজে সে সুস্থ হবে অথবা মন কামনা পূর্ণ হবে এসকল কাজ দ্বারা আল্লাহ্ তায়ালা রুবুবিয়াতের সাথে পীরবাবা বা বুজুর্গকে শরীক করা হয় এটা সুষ্পষ্ট শিরক যা কিনা একজন মুসলমানকে ইসলাম থেকে বের করে দেয়।

❸তিনঃ যে ব্যক্তি বহুইশ্বরবাদীকে (মুশরিক) প্রত্যাখ্যান অথবা তাদের ধারণায় সন্দেহ করে না সে কাফির হয়ে যায়। উদাহরণ স্বরূপ যদি কোন লোক বলে যে, সে নিশ্চিত নয় একজন খৃষ্টান কাফির কি না, তাহলে সে নিজেই একজন কাফির হয়ে যায় কারণ সে ঈসাকে (আঃ) খোদা হিসেবে গ্রহণকারী খৃষ্টানদের (মুশরিক, পৌত্তলিক) প্রত্যাখ্যান করেনি।

❹চারঃ যে ব্যক্তি মহানবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর পরিপূর্ণতা ও দিক নির্দেশনা বা ফায়সালায় অবিশ্বাস করে সে কাফির। এর কারণ হচ্ছে আল্লাহ্র রাসূল (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) ও তার ফায়সালা হচ্ছে সীরাতুল মুসতাকিমের উপর। আর যারা তাগুতের কাছে যাওয়া বেশী পছন্দ করে তারা সত্য সঠিক পথ হতে বহু দূরে।

‘‘যে লোকের কাছে আল্লাহ্র হেদায়াত পরিষ্কারভাবে প্রকাশ পাবার পরও সে রাসূলের বিরোধীতা করে এবং মু’মিনদের পথ ব্যতীত অন্য কারুর পথের অনুসরণ করে, তাকে সেই দিকেই আমি ফিরিয়ে দেব যে দিক সে ফিরে যেতে চায়। আর আমি তাকে জাহান্নামে প্রবেশ করাব, এ জাহান্নাম অত্যন্ত খারাপ আবাস। আল্লাহ্ তায়ালা তাঁর অংশীদারকারীকে যে ক্ষমা করবেন না তা নিশ্চিত কথা। তবে এ ছাড়া অন্যান্য গুনাহ যাকে ইচ্ছে তিনি ক্ষমা করবেন। যারা আল্লাহ্র সাথে কোন কিছু শরীক করে তারা চরমভাবে ভ্রান্তিতে নিমজ্জিত।’’ (সূরা নিসা ৪, আয়াত ১১৫-১১৬)

এ আয়াত দ্বারা পরিস্কার রূপে প্রমাণিত হয় যে রাসূলের প্রদর্শিত পথের বিরোধিতা করা এবং মু’মিনদের পথ ছেড়ে অন্য কোন পথ গ্রহণ করা শিরক। এর শাস্তি হচ্ছে সবচেয়ে নিকৃষ্টতম স্থান জাহান্নামে বন্দি করে রাখা। এ বিষয়ের ওপর এদিক দিয়ে আলোচনা হতে পারে যে এটা আল্লাহ্ তায়ালা এবং তাঁর রাসূলের পক্ষ থেকে প্রমাণিত কি না? যদি আল্লাহ্ তায়ালা ও তাঁর রাসূলের কথা নির্ধারিত হয়, তাহলে তা নিয়ে কানাঘুষা করা এবং হেকমতের পরিপন্থী আখ্যা দেয়া, একে যুগের পরিপন্থী বলা এবং তা ছেড়ে নিজের মনগড়া পথের বা অন্য কারুর অন্ধ অনুকরণে অন্য পথের আশ্রয় নেয়া সুষ্পষ্ট শিরক। আল্লাহ্ শিরককে কখনোই ক্ষমা করবেন না।

❺পাঁচঃ যে ব্যক্তি নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) যা কিছু নিয়ে এসেছেন তাতে অসন্তুষ্ট যদিও সে এ অনুযায়ী কাজ করে, সে অবিশ্বাসী (কাফির) হয়ে গেছে। এরকম এক উদাহরণ হতে পারে এমন এক ব্যক্তি যে দৈনিক পাঁচ ওয়াক্ত নামায পড়ে অথচ সে এগুলো করা অপছন্দ করে অথবা এমন এক মহিলা যে হিজাব পরে অথচ সে তা পরা অপছন্দ করে।

‘‘আর মানুষের মধ্যে এমন কিছু লোক রয়েছে যারা বলে আমরা আল্লাহ্ ও পরকালের প্রতি ঈমান এনেছি, অথচ প্রকৃতপক্ষে তারা ঈমানদার নয়।’’ (সূরা আল বাক্বারাহ ২, আয়াত ৮)

‘‘না, হে মুহাম্মদ, তোমার রবের নামে কসম, তারা কিছুতেই ঈমানদার হতে পারে না, যতক্ষণ না তাদের মধ্যে সৃষ্ট বিবাদের ব্যাপারে তোমাকে ন্যায়বিচারক হিসেবে মেনে নিবে। অতঃপর তুমি যাই ফয়সালা করবে সে ব্যাপারে তারা নিজেদের মনে বিন্দুমাত্র কুন্ঠাবোধ করবেনা বরং ফয়সালার সামনে নিজেদেরকে সম্পূর্ণরূপে সমর্পন করবে।’’ (সূরা আন-নিসা ৪: আয়াত ৬৫)

 

❻ছয়ঃ যে ব্যক্তি দ্বীনের (ধর্মের) আওতার কোনকিছুর ব্যাপারে উপহাস করে বা কৌতুক করে অথবা ইসলামের কোন পুরস্কার বা শাস্তির ব্যাপারে ব্যাঙ্গ করে সে কাফির হয়ে যায়। এর প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) এই কথাঃ

‘‘বল, তোমাদের হাসি-তামাসা ও মন-মাতানো কথাবার্তা কি আল্লাহ্, তাঁর আয়াত এবং তাঁর রসূলের ব্যাপারেই ছিল? এখন টাল-বাহানা করিও না। তোমরা ঈমান গ্রহণের পর কুফরী করেছ …’’ (সূরা আত-তওবাহ ৯, আয়াত ৬৫-৬৬)

❼সাতঃ জাদু (আস-সিহর)। সকল প্রকার জাদু নিষিদ্ধ কেউ এতে অংশগ্রহণ করুক, সময় ব্যয় করুক বা চর্চার প্রতি সহানুভূতিশীল হোক না কেন। যে ব্যক্তি জাদু চর্চা করে বা জাদুতে খুশী হয়, সে কাফির হয়ে যায়। কারণ আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) পবিত্র কুরআনে বলেছেনঃ

‘‘… প্রকৃতপক্ষে সোলাইমান কখনই কুফরী অবলম্বন করে নাই। কুফরী অবলম্বন করেছে সেই শয়তানগণ যারা লোকদেরকে যাদুগিরি শিক্ষাদান করতেছিল।’’ (সূরা আল বাকারা ২, আয়াত ১০২)

আটঃ যে ব্যক্তি একজন মুশরিককে (বহু ইশ্বরবাদী, কাফের) সাহায্য ও সমর্থন করে এবং মুসলমানের বিরুদ্ধে তাকে সহায়তা করে সে কাফির কারণ তার কাছে আল্লাহর (সুবহানু ওয়া তায়ালা) প্রতি বিশ্বাস রাখে এমন একজন মুসলমানের তুলনায় আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) শত্রু বেশী প্রিয়। এর প্রমাণ হচ্ছে আল্লাহর (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) এই কথাঃ

‘‘হে ঈমানদার লোকেরা, নিজেদের পিতা ও ভাইকেও বন্ধু (সমর্থক ও সাহায্যকারী) হিসেবে গ্রহন করিও না যদি তারা ঈমান অপেক্ষা কুফরকে অধিক ভালবাসে। তোমাদের যে লোকই এই ধরনের লোকদের বন্ধুরূপে গ্রহণ করবে সে-ই যালেম (অন্যায়কারী) হবে।’’ (সূরা আত-তওবাহ ৯, আয়াত ২৩)

‘‘তোমাদের মধ্যে কেউ যদি তাদেরকে [মুশরিকদেরকে] বন্ধুরূপে গ্রহণ করে তাহলে সে তাদের মধ্যেই গণ্য হবে। নিঃসন্দেহে আল্লাহ্ তায়ালা জালেমদেরকে হেদায়াত করেন না।’’ (সূরা মায়িদাহ ৫, আয়াত ৫১)

 

 

❾ নয়ঃ যদি কোন ব্যক্তি বিশ্বাস করে যে, সে শারিয়াহ এর মধ্যে (আল্লাহ সুবহানাহু ওয়া তায়ালার আইন) বিভিন্ন জিনিস যোগ করা অথবা এর কতিপয় বিষয় বাদ দেওয়ার মাধ্যমে ইসলামের উন্নতি সাধন করতে পারবে তাহলে সে কাফির হয়ে যায়।

এর কারণ হচ্ছে আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) পরিপূর্ণভাবে সকল মানুষের জন্য তার নবী মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর কাছে ইসলামের বাণী পাঠিয়েছেন এবং যদি কেউ এটা অস্বীকার করে তাহলে সে কুরআনের এই আয়াতের বিরুদ্ধে যায়ঃ

‘‘আজ আমি তোমাদের দ্বীনকে তোমাদের জন্য সম্পূর্ণ করে দিয়েছি এবং আমার নিয়ামত তোমাদের প্রতি পূর্ণ করেছি আর তোমাদের জন্য ইসলামকে তোমাদের দ্বীন হিসেবে কবুল করে নিয়েছি।’’ (সূরা আল-মায়িদাহ ৫, আয়াত ৩)

দশঃ মুহাম্মদ (সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম) এর প্রতি অবতীর্ণ বাণী শিক্ষা না করা অথবা সে অনুযায়ী কাজ না করার মাধ্যমে কেউ আল্লাহ (সুবহানু ওয়া তায়ালার) বাণীর দিক থেকে মুখ ফিরিয়ে নিলে সে ইসলামের গন্ডির বাইরে চলে যায়। আল-কুরআনে এর প্রমাণ হচ্ছেঃ

‘‘তার চাইতে বড় যালেম আর কে হবে যাকে তার আল্লাহর আয়াতের সাহায্যে উপদেশ দান করা হয় এবং তা সত্ত্বেও সে তা হতে মুখ ফিরিয়ে থাকে? এসব পাপীদের ওপর তো আমরা প্রতিশোধ নিয়েই ছাড়ব।’’ (সূরা আস-সাজদাহ ৩২, আয়াত ২২)

এগুলোই দশটি বিষয় যা কোন ব্যক্তির ইসলামকে অকার্যকর করতে পারে এবং যদি সে তার ভুলের জন্য আল্লাহ্ (সুবহানাহু ওয়া তায়ালা) এর কাছে অনুতপ্ত না হয় এবং সে মৃত্যু বরণ করার আগে আবার ইসলাম গ্রহণ না করে তাহলে একজন মুশরিক (পৌত্তলিক) বা একজন কাফিরের (অবিশ্বাসী) মৃত্যুবরণ করে, আর তার গন্তব্যস্থল হয় অনন্ত কালের জন্য দোজখের আগুন এবং কোনদিনও জাহান্নামের আগুন থেকে বের করা হবে না।

মূলঃ আল্লাহর দিকে আহবান

Advertisements
This entry was posted in ঈমান. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s