শিয়া-রাফেযী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা র. এর বক্তব্য- ৬২টি প্রশ্নের আকারে

right-wrong-check-marks
১. প্রশ্ন: শিয়া-রাফেযী সম্প্রদায়ের ব্যাপারে শাইখুল ইসলাম ইবনু তাইমিয়্যা র. এর বক্তব্য কী?
১. উত্তর: তারা অজ্ঞতা ও যুলুমের দিক বিবেচনায় ভীষণভাবে প্রবৃত্তির পূজারী; নবীগণের পরে প্রথম সারির মুহাজির ও আনসার এবং যাঁরা তাঁদেরকে উত্তমভাবে অনুসরণ করেছে (আল্লাহ তাঁদের প্রতি সন্তুষ্ট হয়েছেন এবং তাঁরাও তাঁর প্রতি সন্তুষ্ট), তাঁদের মধ্যকার আল্লাহ তা‘আলার উত্তম বন্ধুদের সাথে তারা (রাফেযীরা) শত্রুতা করে; পক্ষান্তরে তারা ইয়াহূদী, খ্রিষ্টান, মুশরিক এবং নুসাইরি (তথাকথিত সিরিয়ার আলাভী সম্প্রদায়), ইসমাঈলিয়্যা (আগাখানী সম্প্রদায়) ও অন্যান্য পথভ্রষ্ট নাস্তিকদের বিভিন্ন কাফির ও মুনাফিকদেরকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করে। [পৃ. ২০, ১ম খণ্ড]।
* * *
২. প্রশ্ন: তারা কি ইয়াহূদীদের সহযোগিতাকারী ?
২. উত্তর: রাফেযীরা কর্তৃক ইয়াহূদীদেরকে সহযোগিতা করার বিষয়টি একটি প্রসিদ্ধ বিষয়। [পৃ. ২১, ১ম খণ্ড]।
* * *
৩. প্রশ্ন: তাদের কিছু সংখ্যক দাবি করে যে, তাদের অন্তর পবিত্র, আপনাদের বক্তব্য কী ?
৩. উত্তর: সবচেয়ে নিকৃষ্ট অন্তর হলো, কোনো বান্দার অন্তরে উত্তম মুমিনগণ এবং নবীগণের পরে আল্লাহর ওলী তথা বন্ধুদের নেতৃত্বের প্রতি বিদ্বেষ পোষণ করা। [ পৃ. ২২, ১ম খণ্ড ]।
* * *
৪. প্রশ্ন: কখন তাদেরকে ‘রাফেযী’ উপাধিতে ভূষিত করা হয় এবং কেন ? আর কে এই উপাধি দেন ?
৪. উত্তর: যায়েদ (ইবন আলী ইবন হুসাইন) এর আবির্ভাবের সময় থেকে শিয়া সম্প্রদায় রাফেযী ও যায়েদিয়া উপদলে বিভক্ত হয়ে যায়; কারণ, যখন যায়েদকে আবূ বকর ও ওমর রা. সম্পর্কে জিজ্ঞেস করা হলো, তখন তিনি তাঁদের প্রতি সহানুভূতি প্রকাশ করেন; তখন একটি দল তাকে প্রত্যাখ্যান করে; ফলে তিনি তাদেরকে লক্ষ্য করে বলেন: ” رفضتموني ” অর্থাৎ তোমরা আমাকে প্রত্যাখ্যান বা অস্বীকার করেছ। অতএব তারা তাকে প্রত্যাখ্যান বা অস্বীকার করেছে বিধায় তাদেরকে ‘রাফেযী’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। আর শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে যে বা যারা তাকে প্রত্যাখ্যান বা অস্বীকার করেনি তার সাথে তাদের সম্পর্কযুক্ত করার কারণে তাদেরকে ‘যায়েদিয়া’ নামে নামকরণ করা হয়েছে। [ পৃ. ৩৫, ১ম খণ্ড ]।
* * *

৫. প্রশ্ন: রাফেযীরা সাহাবীগণের মধ্য থেকে কাদেরকে নির্দোষ বলে মনে করে ?
৫. উত্তর: তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সকল সাহাবীর মধ্য থেকে অল্প সংখ্যক সাহাবীকে নির্দোষ বলে মনে করে, যাদের সংখ্যা দশজনের কিছু বেশি। [পৃ.৩৯,১ম খণ্ড]।


* * *
৬. প্রশ্ন: তাদের মধ্যে মিথ্যা ও অজ্ঞতার পরিমাণ বেশি কেন ?
৬. উত্তর: যখন তাদের মাযহাবের মূলভিত্তি ছিল মূর্খতা বা অজ্ঞতার উপর নির্ভরশীল, তখন তাদের গোষ্ঠীসমূহ অধিক হারে মিথ্যাবাদী ও মূর্খ হয়ে থাকে। [ পৃ. ৫৭, ১ম খণ্ড ]।
* * *

৭. প্রশ্ন: রাফেযীরা কিসের দ্বারা বিশেষভাবে চিহ্নিত?
৭. উত্তর: আলেমগণ সাধারণ বর্ণনা, রিওয়ায়েত ও সনদের মাধ্যমে এই কথার উপর ঐক্যমত পোষণ করেছেন যে, রাফেযীরা চরম মিথ্যাবাদী গোষ্ঠী; আর তাদের মাঝে মিথ্যার বিষয়টি অনেক পুরাতন বিষয়; আর এই জন্যই ইসলামের ইমামগণ তাদেরকে অধিক হারে মিথ্যা বলার স্বাতন্ত্র্য বৈশিষ্ট্যর অধিকারী বলে জানতেন। [ পৃ. ৫৯, ১ম খণ্ড ]।
* * *

৮. প্রশ্ন: তারা মিথ্যা ও প্রতারণাকে পবিত্র মনে করে— এই কথাটা কি সঠিক এবং তারা তাকে কী নামে নামকরণ করে?
৮. উত্তর: তারা বলে: আমাদের ধর্ম হল ‘তাকিয়্যা’ !! আর তা হলো: তাদের কোনো ব্যক্তির মনের মধ্যে যা আছে, তার মুখের ভাষায় তার বিপরীত কথা বলা। বস্তুত এটা হল নিরেট মিথ্যা ও কপটতা (নিফাকী)। [ পৃ. ৬৮, ১ম খণ্ড ]।
* * *

৯. প্রশ্ন: মুসলিম শাসনকর্তাদের ব্যাপারে রাফেযীদের অবস্থান কী?
৯. উত্তর: তারা হচ্ছে মুসলিম শাসনকর্তাদের বিরোধিতায় সবচেয়ে কট্টরপন্থী মানুষ এবং তাদের আনুগত্য করা থেকে বহু দূরে অবস্থানকারী মানুষ; তবে বাধ্য হয়ে তাদের আনুগত্য করে। [ পৃ. ১১১, ১ম খণ্ড ]।
* * *

১০. প্রশ্ন: কিভাবে তাদের কর্মকাণ্ডসমূহকে মূল্যায়ণ করা হবে?
১০. উত্তর: সেই ব্যক্তির চেষ্টা-প্রচেষ্টার চেয়ে কোন্ চেষ্টাসাধনা সবচেয়ে বেশি ব্যর্থ, যে ব্যক্তি দীর্ঘ পরিশ্রম করে ক্লান্ত হয়ে যায়, বেশি বেশি অসার কথা বলে, মুসলিম সমাজে বিভেদ সৃষ্টি করে, সাহাবী ও তাবে‘য়ীগণকে অভিশাপ দেয়, কাফির ও মুনাফিকদেরকে সহযোগিতা করে, বিভিন্ন রকম কুটকৌশল ও প্রতারণার আশ্রয় গ্রহণ করে, যথাসম্ভব নতুন পথ ও মত তৈরি করে, মিথ্যা সাক্ষ্য’র মাধ্যমে শক্তি সঞ্চয় করে এবং তার অনুসারীদেরকে প্রতারণার জাল সম্পর্কে কথা বলে। [ পৃ. ১২১, ১ম খণ্ড ]।
* * *

১১. প্রশ্ন: তাদের তথাকথিত ইমামদের ব্যাপারে তাদের বাড়াবাড়ি কোন সীমা পর্যন্ত পৌঁছেছে?
১১. উত্তর: তারা আল্লাহকে বাদ দিয়ে তাদেরকে রব (প্রভু) হিসেবে গ্রহণ করেছে। [ পৃ. ৪৭৪, ১ম খণ্ড ]।
* * *

১২. প্রশ্ন: রাফেযীরা কি কবর পূজারীদের অন্তর্ভুক্ত ?
১২. উত্তর: তাদের শাইখ ইবনু নু‘মান … একটি কিতাব রচনা করেছে, যার নাম দিয়েছে ‘মানাসিকুল মাশাহিদ’ (مناسك المشاهد), বা কবরের হাজ্জ। সে কিতাবে ঐ ব্যক্তি মানুষের কবরকে তীর্থস্থানে পরিণত করেছে, যেমনিভাবে কাবা ঘরে হাজ্জ করা হয়। [ পৃ. ৪৭৬, ১ম খণ্ড ]।
* * *

১৩. প্রশ্ন: তাদের মূলনীতিগুলো কি মিথ্যা ও কপটতার অন্তর্ভুক্ত ?
১৩. উত্তর: আল্লাহ তা‘আলা মুনাফিকদেরকে সম্পর্কে জানিয়ে দিয়েছেন যে, তারা মুখে এমন কথা বলে, যা তাদের অন্তরে নেই; আর রাফেযীরাও এটাকে তাদের ধর্মের মূলনীতিসমূহের অন্তর্ভুক্ত করে নিয়েছে এবং তারা তাকে ‘তাকিয়্যা’ ( التقيّة ) নাম দিয়েছে; আর তারা এটাকে আহলে বাইতের ইমামগণের পক্ষ থেকে বলে বর্ণনা করে, যাঁদেরকে আল্লাহ তা‘আলা এর থেকে মুক্ত রেখেছেন, এমনকি তারা জা‘ফর সাদিকের নিকট থেকে বর্ণনা করে যে, তিনি বলেছেন: ‘তাকিয়্যা’ ( التقيّة ) হচ্ছে আমার এবং আমার পূর্বপুরুষগণের ধর্ম। অথচ আল্লাহ তা‘আলা আহলে বাইত ও তাঁরা ভিন্ন অন্যান্য মুমিনদেরকেও এর থেকে পবিত্র করে রেখেছেন। কারণ আহলে বাইত বা নবী পরিবারের সদস্যগণ ছিলেন সত্যবাদিতা ও ঈমানের বাস্তবতায় শ্রেষ্ঠ মানুষদের অন্তর্ভুক্ত, আর তাঁদের দীন ছিল ‘তাকওয়া’ (আল্লাহ ভীতি), ‘তাকিয়্যা’ (মিথ্যা বলা) নয়। [ পৃ. ৪২, ২য় খণ্ড ]।
* * *

১৪. প্রশ্ন: কোন্ শ্রেণীর মানুষের মাঝে রাফেযীদের পাওয়া যাবে ?
১৪. উত্তর: যাদের মধ্যে অধিকাংশ রাফেযীদেরকে পাওয়া যাবে: তারা হয়ত নাস্তিক, মুনাফিক ও ধর্মত্যাগী; অথবা তাদেরকে পাওয়া যাবে জাহিল তথা মূর্খদের মাঝে, যাদের কুরআন-সুন্নাহর বর্ণনা ভিত্তিক ও যুক্তি-বুদ্ধি ভিত্তিক কোনো জ্ঞান নেই। [ পৃ. ৮১, ২য় খণ্ড ]।
* * *

১৫. প্রশ্ন: রাফেযীদের নিকট সঠিক দ্বীনদারী ও জিহাদ আছে কি ?
১৫. উত্তর: দুনিয়ার প্রতি তাদের ভালবাসা এবং তার প্রতি তাদের লোভ-লালসার বিষয়টি সুস্পষ্ট; আর এই জন্য তারা হোসাইন রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর কাছে চিঠি লিখেছিল; অতঃপর তিনি যখন তাদের নিকট তাঁর চাচতো ভাইকে পাঠালেন, তারপর তিনি যখন স্বশরীরে আগমন করলেন, তখন তারা তাঁর সাথে প্রতারণা করেছে এবং দুনিয়ার বিনিময়ে আখেরাতকে বিক্রয় করে দিয়েছে; তারা তাঁকে তাঁর শত্রুর কাছে সমর্পণ করেছে এবং তারা তাঁর শত্রুর সাথে যোগ দিয়ে তাঁকে হত্যা করেছে; সুতরাং ঐসব লোকদের নিকট কোন্ দ্বীনদারী থাকতে পারে? আর তাদের নিকট কোন্ জিহাদই বা আছে? আলী ইবন আবি তালিব রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু তাদের নিকট থেকে এমন বহু তিক্ত অভিজ্ঞতার স্বাদ গ্রহণ করেছেন, যা আল্লাহ ছাড়া অন্য কেউ জানেন না, এমনকি তিনি তাদের বিরুদ্ধে বদদো‘আও করেছেন। তিনি বলেছেন: “হে আল্লাহ আমি তাদের উপর বিরক্ত, আর তারাও আমার উপর বিরক্ত। সুতরাং আপনি আমার জন্য তাদের জায়গায় তাদের চেয়ে ভালো লোকের ব্যবস্থা করে দিন। আর তাদের জন্যও আমার জায়গায় আমার চেয়ে খারাপ লোকের ব্যবস্থা করে দিন।” [ পৃ. ৯০ – ৯১, ২য় খণ্ড ]।
* * *


১৬. প্রশ্ন: তারা (রাফেযীরা) কি পথভ্রষ্টদের অন্তর্ভুক্ত ?
১৬. উত্তর: তাদের চেয়ে অন্য কোনো সম্প্রদায়কে এত অধিক পথভ্রষ্ট পাওয়া যায় কি, যারা আনসার ও মুহাজিরগণের প্রথম সারির সাহাবীগণের প্রতি শত্রুতা পোষণ করে এবং কাফির ও মুনাফিকদেরকে বন্ধু বলে গ্রহণ করে। [ পৃ. ৩৭৪, ৩য় খণ্ড ]।

* * *

১৭. প্রশ্ন: অন্যায়-অশ্লীলতার ব্যাপারে তাদের (রাফেযীদের) অবস্থান কী ?
১৭. উত্তর: তারা অধিকাংশ সময়ে তাদের কৃত অন্যায় কর্ম থেকে পরস্পর পরস্পরকে নিষেধ করে না; বরং তাদের বাড়িঘর অবস্থিত দেশ বা অঞ্চল সর্বাধিক যুলুম ও অশ্লীলতা-বেহায়াপনার মত মন্দ কর্মে ভরপুর। [ পৃ. ৩৭৬, ৩য় খণ্ড ]।
* * *

১৮. প্রশ্ন: কাফিরদের ব্যাপারে তাদের (রাফেযীদের) অবস্থান কী ?
১৮. উত্তর: তারা সবসময় কাফির তথা মুশরিক, ইয়াহূদী ও খ্রিষ্টানগণকে বন্ধু বলে গ্রহণ করে এবং মুসলিমদেরকে নিধন করা ও তাদের সাথে শত্রুতা পোষণ করার ব্যাপারে তাদেরকে সহযোগিতা করে। [ পৃ. ৩৭৮, ৩য় খণ্ড ]।

* * *
১৯. প্রশ্ন: আল্লাহর দীনের মধ্যে তারা (রাফেযীরা) কী অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে ?
১৯. উত্তর: আল্লাহর দীনের মধ্যে তারা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের উপর এমন মিথ্যার অনুপ্রবেশ ঘটিয়েছে, যে ধরনের মিথ্যারোপ তারা ভিন্ন অন্য কেউ করেনি; আর তারা এমনভাবে সত্যকে প্রত্যাখ্যান করেছে, যেমনিভাবে তারা ভিন্ন অন্য কেউ তা প্রত্যাখ্যান করেনি; আর তারা আল-কুরআনকে এমনভাবে বিকৃত করেছে, যে ধরনের বিকৃতি তারা ভিন্ন অন্য কেউ করেনি। [ পৃ. ৪০৪, ৩য় খণ্ড ]।
* * *

২০. প্রশ্ন: বিভিন্ন বিষয়ে আহলে বাইতের ইজমার বিরোধিতার কারণে রাফেযীদের দ্বারা আহলে বাইতের অনুসরণ করার দাবির বিষয়টির বিশুদ্ধতা কতটুকু?
২০. উত্তর: কোনো সন্দেহ নেই যে, তারা সাহাবীগণের ইজমার বিরুদ্ধাচরণের সাথে সাথে আহলে বাইত তথা নবী পরিবারের ইজমারও বিরোধিতা করেছে; কারণ, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের যুগে এবং আবূ বকর, ওমর, ওসমান ও আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমের যুগে নবী পরিবার- বনু হাশিমের মধ্যে এমন কোনো ব্যক্তি ছিলেন না যিনি দ্বাদশ ইমামের কথা বলতেন, নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের পরে কাউকে মাসুম বা নিষ্পাপ বলতেন এবং তিন খলিফা (আবূ বকর, ওমর ও ওসমান) কে কাফির বলতেন (নাউযুবিল্লাহ); এমনকি (তাঁদের মধ্যে) এমন কেউ ছিলেন না যিনি তাঁদের (আবু বকর, উমর ও উসমানের) নেতৃত্বকে প্রশ্নবিদ্ধ করতেন, (আল্লাহর) গুণাবলী অস্বীকার করতেন এবং তাকদীরকে অস্বীকার করতেন। [ পৃ. ৪০৬ – ৪০৭, ৩য় খণ্ড ]। (অর্থাৎ একাজগুলোই রাফেযীরা করে থাকে, ফলে তারা আহলে বাইতের ইজমা তথা ঐকমত্যেরও বিরোধিতা করেছে।)
* * *

২১. প্রশ্ন: রাফেযীদের সাথে সংশ্লিষ্ট বিশেষ কিছু খারাপ গুণ উল্লেখ করবেন বলে কি আমরা আশা করতে পারি ?
২১. উত্তর: যে মিথ্যা তাদের মধ্যে পাওয়া যায়, সত্যকে অস্বীকার করা, অধিক মূর্খতা, অসম্ভবের প্রতি বিশ্বাস, বিবেক-বুদ্ধির কমতি, প্রবৃত্তির অনুসরণের ক্ষেত্রে চরম বাড়াবাড়ি এবং অস্পষ্ট বিষয়ের সাথে সংশ্লিষ্টতা, অনুরূপ বৈশিষ্ট্য অপর কোনো দল বা গোষ্ঠীর মধ্যে পাওয়া যায় না। [ পৃ. ৪৩৫, ৩য় খণ্ড]।
* * *

২২. প্রশ্ন: রাফেযীরা সাহাবীদের ব্যাপারে মিথ্যা অপবাদ দেয় কেন ?
২২. উত্তর: রাফেযীরা সাহাবীগণ ও তাঁদের বর্ণনার ব্যাপারে মিথ্যা অপবাদ দেয়; তাদের এই কাজের অভ্যন্তরীণ উদ্দেশ্য হলো: আল্লাহর রাসূলের রিসালাতকে প্রশ্নবিদ্ধ করা। [ পৃ. ৪৬৩, ৩য় খণ্ড ]।

* * *
২৩. প্রশ্ন: কাকে কেন্দ্র করে শিয়া সম্প্রদায় পরিচালিত হয় ?
২৩. উত্তর: শিয়াদের এমন কোন নেতৃবৃন্দ নেই, যাদেরকে তারা সরাসরি সম্বোধন করবে; তবে তাদের কিছু ইমাম বা নেতা রয়েছে যারা অন্যায়ভাবে তাদের ধন-সম্পদ ভক্ষণ করে এবং তাদেরকে আল্লাহর পথে চলতে বাধা প্রদান করে। [ পৃ. ৪৮৮, ৩য় খণ্ড ]।
* * *

২৪. প্রশ্ন: রাফেযীদের ইমাম বা নেতারা তাদের অনুসারীদেরকে কিসের নির্দেশ দেয় ?
২৪. উত্তর: তারা তাদেরকে আল্লাহর সাথে শরীক করতে এবং ‘গাইরুল্লাহ’ তথা আল্লাহ ভিন্ন অন্যের পূজা করতে নির্দেশ প্রদান করে; আর তাদেরকে আল্লাহর পথে চলতে প্রতিবন্ধকতা সৃষ্টি করে; ফলে তারা ‘আল্লাহ ছাড়া কোনো সত্য ইলাহ নেই এবং মুহাম্মদ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম আল্লাহর রাসূল’ –এই সাক্ষ্য দানের বাস্তবতা থেকে বের হয়ে যায়; কারণ, তাওহীদের হাকীকত তথা বাস্তবতা হল, একমাত্র আল্লাহর ইবাদত করা; তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে না ডাকা, তাঁকে ছাড়া অন্য কাউকে ভয় না করা, তাঁকে ছাড়া অন্য কারোর উপর ভরসা না করা এবং দীনকে শুধু তাঁর জন্য নির্দিষ্ট করা, অন্য কোনো সৃষ্টির জন্য নির্দিষ্ট না করা; আর ফিরিশ্তা ও নবীদেরকে রব বা প্রভু বলে গ্রহণ না করা। সুতরাং ইমাম, শাইখ, আলেম ও রাজা প্রমুখের সাথে বিশ্বাস ও ইবাদতের সম্পর্ক হবে কিভাবে ! [ পৃ. ৪৯০, ৩য় খণ্ড]।
* * *

২৫. প্রশ্ন: শাহাদাৎ তথা সাক্ষ্য প্রদানের ব্যাপারে তাদের (রাফেযীদের) অবস্থান কী ?
২৫. উত্তর: রাফেযীরা … যদি সাক্ষ্য দেয়, তাহলে তারা এমন বিষয়ে সাক্ষ্য দেয়, যার সম্পর্কে তারা জানে না, অথবা তারা জেনে-বুঝে মিথ্যা সাক্ষ্য দেয়; সুতরাং তাদের অবস্থান হল এমন, যেমনটি ইমাম শাফে‘য়ী র. বলেছেন: “আমি রাফেযী সম্প্রদায়ের চেয়ে বেশি মিথ্যা সাক্ষ্য প্রদানকারী অপর কোনো একটি সম্প্রদায়কেও দেখিনি। [ পৃ. ৫০২, ৩য় খণ্ড]।
* * *

২৬. প্রশ্ন: রাফেযীদের মূলনীতিসমূহ কি আহলে বাইতগণ প্রণয়ন করেছেন ?
২৬. উত্তর: তারা তাদের সকল মূলনীতির ক্ষেত্রে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এবং আহলে বাইতের সকল ইমামের বিরোধী; বিশেষ করে যে ক্ষেত্রে তারা আহলে সুন্নাত ওয়াল জামায়াতের মূলনীতি থেকে পৃথক হয়ে গেছে [ পৃ. ১৬, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

২৭. প্রশ্ন: রাফেযীরা জা‘ফর সাদিকের প্রতি যা সম্পর্কযুক্ত করেছে, সে ব্যাপারে আপনাদের বক্তব্য কী ?
২৭. উত্তর: জা‘ফর সাদিকের পূর্ববর্তীদের উপর মিথ্যা আরোপের চেয়ে তার উপর মিথ্যা আরোপের বিষয়টি অনেক বেশি; মিথ্যাবাদীদের পক্ষ থেকে তার উপর মিথ্যার বিপদটি খুব বেশিই আপতিত হয়েছে। তিনি কখনও এসব মিথ্যার সাথে জড়িত নন। আর এই জন্যই দেখা যায় যে, মিথ্যাবাদিরা তার প্রতি বিভিন্ন প্রকারের মিথ্যা সম্পর্কযুক্ত করেছে। (তাঁর নামে মিথ্যা গ্রন্থ রচনা করেছে) [ পৃ. ৫৪, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

২৮. প্রশ্ন: রাফেযীদের দ্বারা আহলে বাইতের সাথে বংশ-সম্পর্ক দাবি করার ব্যাপারে আপনাদের অভিমত কী ?
২৮. উত্তর: হুসাইন রা. এর বংশধরগণ যেসব বিপদের সম্মুখীন হয়েছে, তন্মধ্যে অন্যতম একটি বড় বিপদ হল রাফেযীদের দ্বারা হুসাইন রা. এর বংশধরদের সাথে বংশ-সম্পর্ক দাবি করা। (অর্থাৎ তাদের এ দাবী সম্পূর্ণ মিথ্যা) [ পৃ. ৬০, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

২৯. প্রশ্ন: রাফেযীরা তাদের ধর্ম ও মাযহাবকে সাব্যস্ত করার জন্য কিসের দ্বারা দলীল পেশ করে ?
২৯. উত্তর: রাফেযীদের অধিকাংশ দলীল হল কবিতাসমষ্টি, যা তাদের মূর্খতা ও যুলুমের সাথে মানানসই; আর মিথ্যা গল্প-কাহিনী, যা তাদের মূর্খতা ও মিথ্যার সাথে সামঞ্জস্যপূর্ণ। দ্বীনের মূলনীতি কখনো এ ধরনের কবিতাসমষ্টি দ্বারা সাব্যস্ত করা যায় না। তবে তারা তা করতে পারে যারা বিচক্ষণ ও বুদ্ধিমান ব্যক্তিদের অন্তর্ভুক্ত নয়। [ পৃ. ৬৬, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

৩০. প্রশ্ন: ইসলামের খিদমতে কবিতার ভূমিকা রয়েছে— সুতরাং তার থেকে আপনারা কোন কিছু প্রমাণ করেন কি ?
৩০. উত্তর: [মূল কবিতার উল্লেখসহ বংলা অনুবাদ ]:
إذا شئت أن ترضى لنفسك مذهبا
تنال به الزلفى وتنجو من النـــار
[যখন তুমি তোমার নিজের জন্য কোনো মাযহাবকে পছন্দ করবে,
যার দ্বারা নৈকট্য লাভ করবে এবং মুক্তি পাবে জাহান্নাম থেকে]
فدن بكتاب الله والسنــــة التي
أتت عن رسول الله من نقل أخيار
[তাহলে তুমি আল্লাহর কিতাব ও এমন সুন্নাহর নিকটবর্তী হও, যা
রাসূলুল্লাহর নিকট থেকে এসেছে শ্রেষ্ঠ ব্যক্তিদের বর্ণনার দ্বারা ]
ودع عنك دين الرفض والبــدع التي
يقودك داعيها إلى النار والعــــــار
[আর তোমার থেকে ঝেড়ে ফেলে দাও রাফেযী ও বিদ‘আতের ধর্ম, যার
আহ্বায়ক তোমাকে পরিচালিত করবে জাহান্নাম ও অপমানের দিকে ]
وسر خلف أصحاب الرسول فإنهم
نجوم هدى في ضوئها يهتدي الساري
[আর পথ চল রাসূলের সাহাবীদের পিছনে; কারণ, তাঁরা নিশ্চয়
ধ্রুবতারা, যার আলোতে পথের দিশা পাবে ভ্রমণকারী পথিক ]
وعج عن طريق الرفض فهو مؤسس
على الكفر تأسيسا على جرف هار
[আর বিরত থাক রাফেযীদের পথ থেকে; কারণ, তা হয়েছে প্রতিষ্ঠিত
মজবুতভাবে কুফরীর ভীতের উপর, আর এক গর্তের ধ্বংসোন্মুখ কিনারায় ]
هما خطتا : إما هدى وسعادة
وإما شقاء مع ضلالة كفار
[ রাস্তা তো দু’টি: হয় হিদায়াত ও সৌভাগ্যের পথ,
আর না হয় কাফিরদের পথ ভ্রষ্টতার সাথে দুর্ভাগ্যের পথ ]
فأي فريقينا أحـــــــــــــق بأمنه
وأهدى سبيلا عند ما يحكم الباري
[ সুতরাং আমাদের কোন দলটি তাঁর নিরাপত্তার বেশি হকদার
এবং সুপথ প্রাপ্ত, যখন বারী তা‘আলা বিচার-ফায়সালা করবেন ]
أمن سب اصحاب الرسول وخــالف ال
كتاب ولم يعبأ بثابت أخبــــــــــار
[ সেই ব্যক্তি, যে রাসূলের সাহাবীদেরকে গালি দিয়েছে এবং বিরোধিতা করেছে
কিতাবের, আর মনোযোগ দেয়নি হাদিসগুলো প্রতিষ্ঠিত করার ব্যাপারে? ]
أم المقتدى بالوحي يسلك منهج ال
صحابة مع حب القرابة الاطهار.
[ নাকি যে ব্যক্তি ওহীর অনুসরণকারী, পথ চলে পদ্ধতির অনুসরণে
সাহাবীগণের, সাথে রয়েছে রাসূলের নিকটতম পবিত্র লোকদের প্রতি ভালবাসা ।
– [ পৃ. ১২৮, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

৩১. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদ কিসের সম্মিলন ঘটিয়েছে ?
৩১. উত্তর: তারা বড় বড় নিকৃষ্টতর বিদ‘আতগুলোকে একত্রিত করেছে; কারণ, তারা হচ্ছে— জাহমিয়্যা, (আল্লাহর গুণাগুণ অস্বীকারকারী) কাদরিয়া (তাকদীর অস্বীকারকারী) ও রাফেযী (সুন্নাহ ও রাসূলের সাহাবীগণের হক অস্বীকারকারী)। [পৃ. ১৩১, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

৩২. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদ কি পরস্পরিক বৈপরীত্য ও বৈসাদৃশ্যকে অন্তর্ভুক্ত করে ?
৩২. উত্তর: রাফেযীরা তাদের মূর্খতা ও মিথ্যাবাদীতার কারণে অনেক বিষয়ে সুস্পষ্ট বৈপরীত্য ও বৈসাদৃশ্যের সৃষ্টি করে; কেননা তাদের অবস্থান বিরোধপূর্ণ কথার মধ্যে; ফিরিয়ে রাখা হয় তা থেকে যে ফিরে থাকে [ পৃ. ২৮৫, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

৩৩. প্রশ্ন: রাফেযীরা কি আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে সত্যিকার অর্থে ও যথাযথভাবে ভালবাসে?
৩৩. উত্তর: তারা মানুষের মধ্যে সবচেয়ে জঘন্যভাবে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু’র প্রতি ঘৃণা ও বিদ্বেষ পোষণ করে। [পৃ. ২৯৬, ৪র্থ খণ্ড]।
* * *

৩৪. প্রশ্ন: উম্মুল মুমিনীন ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা’র ব্যাপারে রাফেযীদের অবস্থান কী ?
৩৪. উত্তর: তারা ‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা’র প্রতি জঘন্যতম অপবাদ দেয়। আবার তাদের মধ্যকার কেউ কেউ তাঁর প্রতি এমন অশ্লীলতার অপবাদ দেয় যা থেকে আল্লাহ তা‘আলা তাঁকে নির্দোষ বলে ঘোষণা করেছেন এবং এই ব্যাপারে আল-কুরআনের আয়াত অবতীর্ণ করেছেন। [পৃ. ৩৪৪, ৪র্থ খণ্ড]।
* * *

৩৫. প্রশ্ন: তাদের এই কর্মকাণ্ডকে (‘আয়েশা রাদিয়াল্লাহু ‘আনহা’র প্রতি অপবাদ প্রদানকে) কি নবী সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামকে কষ্ট দেওয়া বলে বিবেচনা করা হবে ?
৩৫. উত্তর: এটা সর্বজন বিদিত যে, একজন মানুষের জন্য মারাত্মক কষ্টকর ব্যাপার হলো তার স্ত্রীর উপর অন্য কোনো ব্যক্তি কর্তৃক মিথ্যারোপ করা এবং বলা যে সে ব্যভিচারিনী। [পৃ. ৩৪৫ – ৩৪৬, ৪র্থ খণ্ড]।
* * *

৩৬. প্রশ্ন: কোন ব্যক্তি রাফেযী মতবাদের প্রবর্তন করে?
৩৬. উত্তর: যে ব্যক্তি রাফেযী মতবাদের প্রবর্তন করে, সে ছিল নাস্তিক, অবিশ্বাসী এবং দীন ইসলাম ও তার অনুসারীদের শত্রু। [পৃ. ৩৬৩, ৪র্থ খণ্ড]।
* * *

৩৭. প্রশ্ন: রাফেযীরা আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে কি কি গুণ দ্বারা বিশেষিত করে?
৩৭. উত্তর: রাফেযীরা পরস্পর বিরোধী কথাবার্তা বলে থাকে; কারণ, তারা আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে বিশেষায়িত করে এইভাবে যে, তিনি ছিলেন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহায্যকারী, যিনি না হলে তাঁর (রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের) দীন প্রতিষ্ঠিত হত না। আবার তারাই আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে উপরোক্ত গুণাগুণের পরিপন্থী অক্ষম, অসহায় অপমানজনক বিশেষণে বিশেষায়িত করে। [ পৃ. ৪৮৫, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *


৩৮. প্রশ্ন: রাফেযীরা সাহাবীগণকে ইবলিসের চেয়ে নিকৃষ্ট মনে করে; এ ব্যাপারে আপনাদের জওয়াব কী?

৩৮. উত্তর: যে ব্যক্তি রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লামের সাহাবীগণকে ইবলিসের চেয়ে নিকৃষ্ট মনে করে, সে ব্যক্তির মত আল্লাহ, তাঁর রাসূল ও মুমিনগণের উপর এত বড় জঘন্য মিথ্যারোপকারী ব্যক্তি এবং শ্রেষ্ঠ প্রজন্মের প্রতি এমন পর্যায়ের শত্রুতা পোষণকারী ব্যক্তি আর একটিও অবশিষ্ট নেই। আল্লাহ তা‘আলা তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও ঈমানদারদেরকে দুনিয়ার জীবনে এবং পরকালে সাহায্য করবেন। [ পৃ. ৫১৬, ৪র্থ খণ্ড ]।
* * *

৩৯. প্রশ্ন: আমাদের উদ্দেশ্যে রাফেযীদের ইমাম তথা ধর্মীয় গুরুদের ব্যাপারে কিছু বলবেন কী?
৩৯. উত্তর: যদি তাদের কেউ জানে যে, সে যা বলছে তা বাতিল, তারপরও সে তা প্রকাশ করে এবং বলে যে তা আল্লাহর নিকট থেকে সত্য, তাহলে সে হবে ঐসব ইয়াহূদী আলেমদের শ্রেণীভুক্ত, যারা অল্প মূল্যে বিক্রয় করার জন্য তাদের নিজ হাতে কিতাব লেখে, তারপর বলে এটা আল্লাহর পক্ষ থেকে। সুতরাং তাদের হাত যা লিখেছে, তার কারণে তাদের জন্য ধ্বংস এবং তারা যা অর্জন করেছে, তার কারণে তাদের জন্য ধ্বংস। আর যদি তাদের কেউ সেটাকে সত্য বিশ্বাস করে, তাহলে এটা তার চূড়ান্ত অজ্ঞতা ও ভ্রষ্টতার প্রতিই ইঙ্গিত করে। [ পৃ. ১৬২, ৫ম খণ্ড ]।
* * *

৪০. প্রশ্ন: আবূ জাফর আল-বাকের ও জাফর ইবন মুহাম্মদ আস-সাদেকের ব্যাপারে আপনাদের বক্তব্য কী?
৪০. উত্তর: কোন সন্দেহ নেই যে, তাঁরা হলেন মুসলিমগণের নেতৃস্থানীয় ব্যক্তিবর্গের অন্তর্ভুক্ত এবং দীন ইসলামের অন্যতম ইমাম; আর তাঁদের বক্তব্য ও মতামতগুলো তাঁদের মত করে যথাযথ মর্যাদা ও সম্মান পাওয়ার উপযুক্ত; কিন্তু সমস্যা হচ্ছে তাঁদের থেকে যা বর্ণনা করা হয়, তার অধিকাংশই মিথ্যা ও বানোয়াট। [পৃ. ১৬৩, ৫ম খণ্ড ]।
* * *

৪১. প্রশ্ন: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘য়াত আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে কোন দৃষ্টিতে দেখে?
৪১. উত্তর: আহলে সুন্নাত ওয়াল জামা‘য়াত তাঁকে ভালবাসেন, তাঁকে বন্ধুরূপে গ্রহণ করেন এবং সাক্ষ্য প্রদান করেন যে, তিনি খোলাফায়ে রাশেদীনের অন্যতম মহান খলিফা এবং সুপথপ্রাপ্ত ইমামগণের অন্তর্ভুক্ত অন্যতম ইমাম। [ পৃ. ১৮, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।
* * *

৪২. প্রশ্ন: রাফেযীরা ওমর ফারুক রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুকে কোন নামে আখ্যায়িত করে?
৪২. উত্তর: রাফেযীরা তাঁকে এই উম্মতের ফেরাউন নামে আখ্যায়িত করে। [পৃ. ১৬৪, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।
* * *

৪৩. প্রশ্ন: আবূ বকর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার ব্যাপারে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর অবস্থান কী?
৪৩. উত্তর: এই ব্যাপারে তাঁর অবস্থা সম্পর্কে যতটুকু জানা যায় তা হচ্ছে, সকল উম্মতের উপর তাঁদেরকে ভালবাসা, বন্ধুরূপে গ্রহণ করা, সম্মান করা এবং তাঁদেরকে প্রাধান্য দেয়ার বিষয়টি আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু থেকে বহু সনদে বর্ণিত হয়েছে। তাঁর পক্ষ থেকে তাঁদের ব্যাপারে কখনো একটি কটুক্তির প্রকাশ ঘটেছে বলে জানা যায়নি এবং এটাও জানা যায়নি যে, তিনি তাঁদের চেয়ে খিলাফতের অধিক হকদার ছিলেন বলে দাবী করেছেন। যারা মুতাওয়াতির তথা বহু সনদে বর্ণিত হাদিসগুলোর ব্যাপারে জ্ঞান রাখেন, যেগুলো বর্ণিত হয়েছে বিশ্বস্ত বর্ণনাকারীগণের মাধ্যমে তাদের কাছে এটা অত্যন্ত বিখ্যাত বিষয়। [পৃ. ১৬৪, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।

* * *
৪৪. প্রশ্ন: রাফেযীরা কি পথভ্রান্ত ও কূটিল প্রকৃতির লোকদের অন্তর্ভুক্ত?
৪৪. উত্তর: রাফেযীরা নিকৃষ্ট ধরনের পথভ্রান্ত ও কূটিল লোকদের অন্তর্ভুক্ত, যারা এমনসব ফিতনার অনুসন্ধান করে বেড়ায় যাদেরকে আল্লাহ তা‘আলা ও তাঁর রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম নিন্দা করেছেন। [পৃ. ২৬৮, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।
* * *

৪৫. প্রশ্ন: রাফেযীরা তাদের যেসব বর্ণনা ও মতামতকে ঘিরে বক্তব্য প্রদান করে, তা কি পরস্পরবিরোধী?
৪৫. উত্তর: রাফেযীরা এমন পরস্পরবিরোধী কথার দ্বারা বক্তব্য প্রদান করে, যার একাংশ অপর অংশের বিপরীত। [পৃ. ২৯০, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।
* * *


৪৬. প্রশ্ন: কোথা থেকে ইসলামের মধ্যে ফিতনার প্রকাশ ঘটেছে?
৪৬. উত্তর: ইসলামের মধ্যে ফিতনার প্রকাশ ঘটেছে শিয়া সম্প্রদায়ের মধ্য থেকে; কারণ, তারা হল সকল ফিতনা ও খারাপীর মূল এবং ফিতনার নাটের গুরু। [ পৃ. ৩৬৪, ৬ষ্ঠ খণ্ড]।
* * *

৪৭. প্রশ্ন: কার উদ্দেশ্যে তারা তাদের তরবারীসমূহ পরিচালনা করে?
৪৭. উত্তর: সকল ফিতনা ও দুর্যোগের মূল হল শিয়া সম্প্রদায় এবং তাদের অনুসারীরা। আর ইসলামে বহু তরবারী কোষমুক্ত করা হয়েছে যা মূলত তাদের পক্ষ থেকেই হয়েছিল। [পৃ. ৩৭০, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।

* * *
৪৮. প্রশ্ন: রাফেযীদের প্রতারিত ব্যক্তির উদ্দেশ্যে আপনারা কী বলবেন?
৪৮. উত্তর: পূর্ব থেকে যা শুনেছে এবং যা বর্ণিত হয়ে তার কাছে এসেছে সেগুলোকে পরিত্যাগ করবে, তারপর প্রত্যেক বিবেকবান ব্যক্তি যেন ইসলামের মধ্যে সংঘটিত ঐসব ফিতনা, অন্যায় ও ফ্যাসাদসমূহের ব্যাপারে চিন্তাভাবনা করে, যা তার সময়ে এবং তার কাছাকাছি সময়ে সংঘটিত হয়; তাহলে সে দেখতে পাবে এর অধিকাংশ ঘটনাই রাফেযীদের পক্ষ থেকে সংঘটিত হয়েছে। আর আপনি তাদেরকে মানুষের মাঝে সবচেয়ে ভয়ঙ্কর ফিতনাবাজ ও বিপর্যয় সৃষ্টিকারীরূপে পাবেন। তারা উম্মতের মধ্যে সম্ভাব্য ফিতনা, অন্যায় ও ফ্যাসাদ সংঘটিত করার ব্যাপারে কোনো প্রকার পিছপা হয় না। [ পৃ. ৩৭২, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।
* * *

৪৯. প্রশ্ন: যারা রাফেযীদের প্রতিষ্ঠা করার ব্যাপারে প্রচেষ্টা চালায় তাদের প্রতি যদি আপনি কোনো চিঠি পাঠান তবে সেটার অভ্যন্তরে কি লিখবেন?
৪৯. উত্তর: রাফেযীরা যখন প্রতিষ্ঠিত হয় তখন তারা তাকওয়া অবলম্বন করে না (বরং বিনা বিচারে হত্যাযজ্ঞ ও বিবিধ অপরাধ চালাতে থাকে)। [ পৃ. ৩৭৫, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।
* * *


৫০. প্রশ্ন: রাফেযীরা আহলে সুন্নাতের সাথে মুনাফেকী ও প্রতারণা করে – এটা কিভাবে করে থাকে ?
৫০. উত্তর: রাফেযীরা আহলে সুন্নাতের সাথে তাদের ভালবাসার কথা প্রকাশ করার ব্যাপারে অত্যন্ত চালাকী করে; তাদের কেউই তার দীন আহলে সুন্নাতের লোকদের কাছে প্রকাশ করে না; এমনকি তারা সাহাবীদের ফযীলতের বিষয়গুলো মুখস্থ করে এবং আরো মুখস্থ করে এমন সব কাব্য, যেগুলো রচিত হয়েছে তাঁদের প্রশংসা ও রাফেযীদের নিন্দা করা প্রসঙ্গে, যার মাধ্যমে তারা
আহলে সুন্নাতের সাথে তাদের ভালবাসা ও হৃদ্যতার অভিনয় করে। [ পৃ. ৪২৫, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।
* * *

৫১. প্রশ্ন: রাফেযীরা আহলে সুন্নাতের সাথে যে মুনাফেকী আচরণ করে সেটার আরও অধিকতর ব্যাখ্যা আছে কি?
৫১. উত্তর: রাফেযী সম্প্রদায়ের অনুসারী ব্যক্তি নিফাকের পথ অবলম্বন করেই (আহলে সুন্নাতের) যে কারোর সাথে ঘনিষ্ট হয়ে মেলামেশা করে; কারণ, তার অন্তরের মধ্যে যে ধর্মের লালন করা হয়, তা নষ্ট ধর্ম; সে তা লালন করে মিথ্যা, বিশ্বাসঘাতকতা, জনগণকে প্রতারিত করা এবং তাদের সাথে অসৎ উদ্দেশ্যর আশ্রয় নিয়ে। সুতরাং তার শক্তি থাকতে সে তাদের সাথে প্রতারণা ও ক্ষতিকর আচরণ করতে ভুল করে না। [ পৃ. ৪২৫, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।
* * *

৫২. প্রশ্ন: রাফেযীদের মাঝে কি মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্যগুলো বেশি পরিমাণে আছে?
৫২. উত্তর: আল্লাহ তা‘আলা একাধিক জায়গায় মুনাফিকদের বৈশিষ্ট্য বর্ণনা করেছেন মিথ্যা, প্রতারণা ও বিশ্বাসঘাতকতার শব্দ ব্যবহার করার দ্বারা; আর এই বৈশিষ্ট্যগুলো রাফেযী সম্প্রদায়ের মধ্যে সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায়। [ পৃ. ৪২৭, ৬ষ্ঠ খণ্ড ]।
* * *

৫৩. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদ কি ইসলাম বিরোধী?
৫৩. উত্তর: রাফেযী মতবাদের মূলবিষয় ছিল একটি নাস্তিক ও মুনাফিক সম্প্রদায় তৈরি করা, যাদের লক্ষ্য হচ্ছে কুরআন, রাসূল সাল্লাল্লাহু ‘আলাইহি ওয়াসাল্লাম ও দীন ইসলামের ব্যাপারে অপবাদ দেয়া। [ পৃ. ৯, ৭ম খণ্ড ]।
* * *

৫৪. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদ তার অনুসারীদেরকে শেষ পর্যন্ত কোন দিকে নিয়ে যায়?
৫৪. উত্তর: রাফেযী চিন্তাধারা হল কুফর ও নস্তিকতার দিকে যাওয়ার এক বিরাট দরজা ও করিডোর। [ পৃ. ১০, ৭ম খণ্ড]।
* * *

৫৫. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদ কোথা থেকে উৎপত্তি হয়েছে?
৫৫. উত্তর: রাফেযী চিন্তাধারার উৎপত্তি হয়েছে শির্ক, নাস্তিকতা ও নিফাক থেকে। [ পৃ. ২৭, ৭ম খণ্ড ]।
* * *

৫৬. প্রশ্ন: এই মাযহাব আবিষ্কারের লক্ষ্য-উদ্দেশ্য কী?
৫৬. উত্তর: যে ব্যক্তি রাফেযী মতবাদ আবিষ্কার করেছে, তার লক্ষ্য-উদ্দেশ্য ছিল দীন ইসলামের মধ্যে ফ্যাসাদ সৃষ্টি করা, তার পবিত্রতা নষ্ট করা এবং তাকে তার অবকাঠামোসহ নির্মূল বা ধ্বংস করা … আর এটা ইবনু সাবা ও তার অনুসারীদের থেকে পরিচিত। সেই তো এমন ব্যক্তি, যে (রাসূলের পরে) আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর ব্যাপারে খিলাফতের নস তথা ভাষ্য রয়েছে বলে বানোয়াট বক্তব্য তৈরি করেছে, (বস্তুত এটা মিথ্যাচার; কারণ আলী রা. এর খিলাফতের ব্যাপারে এ ধরনের কোনো বক্তব্য আল্লাহ বা তাঁর রাসূল প্রদান করেন নি) আর সেই তো প্রচলন করেছে যে, আলী রা. মা‘সুম (বে-গুনাহ বা পাপমুক্ত)। (এটা তারই তৈরী, ইসলামে কেউই এ ধরণের বিশ্বাস নবী-রাসূল ছাড়া অন্য কারও জন্য করে না) [ পৃ. ২১৯ – ২২০, ৭ম খণ্ড ]।
* * *

৫৭. প্রশ্ন: রাফেযী মতবাদের সাথে আহলে বাইতের কোনো সম্পর্ক আছে কি?
৫৭. উত্তর: সকল প্রশংসা আল্লাহর জন্য (আলহাদুলিল্লাহ), আহলে বাইত (নবী পরিবার) রাফেযী মতবাদের কোনো বৈশিষ্ট্যের ব্যাপারেই একমত পোষণ করেন নি; বরং তাঁরা সেই মতবাদের কোন কিছুর দ্বারা কলুষিত হওয়া থেকে মুক্ত ও পবিত্র। [ পৃ. ৩৯৫, ৭ম খণ্ড ]।
* * *

৫৮. প্রশ্ন: খোলাফায়ে রাশেদীনের বিরুদ্ধে আহলে বাইতের পক্ষ থেকে কোনো প্রমাণিত সত্য বর্ণনা আছে কি?
৫৮. উত্তর: আহলে বাইতের সকল আলেম, অর্থাৎ বনু হাশিমের তাবেয়ীগণ এবং তাঁদের অনুসারী হোসাইন ইবন আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমার বংশধর ও হাসান রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর বংশধর প্রমুখের নিকট থেকে সঠিকভাবে প্রমাণিত বর্ণনা রয়েছে যে, তাঁরা আবূ বকর ও ওমর রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুমাকে অভিভাবক ও বন্ধুরূপে গ্রহণ করতেন এবং তাঁরা তাঁদেরকে আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহুর উপরে মর্যাদা দিতেন; আর এই প্রসঙ্গে তাঁদের নিকট থেকে মুতাওয়াতির সনদে অনেক বর্ণনা সাব্যস্ত বা প্রমাণিত আছে। [ পৃ. ৩৯৬, ৭ম খণ্ড ]।
* * *

৫৯. প্রশ্ন: রাফেযীরা মনে করে যে, তারা আহলে বাইতকে সম্মান প্রদর্শন করে- তাদের এই ধারণাটা কি সঠিক?
৫৯. উত্তর: আহলে বাইত তথা নবী পরিবারকে গালাগালি করা ও অপবাদ আরোপের ক্ষেত্রে রাফেযীরা হল অত্যন্ত ভয়ঙ্কর পর্যায়ের মানুষ। [পৃ. ৪০৮, ৭ম খণ্ড]।
* * *

৬০. প্রশ্ন: রাফেযীদের চূড়ান্ত কাজ কী?
৬০. উত্তর: তাদের চূড়ান্ত কাজ হলো: সাহাবীগণ ও অধিকাংশ জনগণকে কাফির বলে আখ্যায়িত করার পর আলী রাদিয়াল্লাহু ‘আনহু এবং তাঁর পরিবার-পরিজনকে কাফির বনানো বা কাফির বলে আখ্যায়িত করা। [পৃ.৪০৯,৭ম খণ্ড]।
* * *

৬১. প্রশ্ন: রাফেযীরা কি উদ্দেশ্যে চেষ্টা-সাধনা করে?
৬১. উত্তর: রাফেযীদের সকল চেষ্টা-সাধনার একমাত্র উদ্দেশ্য হল ইসলামকে ধ্বংস করা, তার পবিত্রতা নষ্ট করা এবং তার মূলনীতিসমূহ ধ্বংস করা। [পৃ. ৪১৫, ৭ম খণ্ড]।
* * *


৬২. প্রশ্ন: ইসলামের সাথে রাফেযী মতবাদের কোন সম্পর্ক আছে কি?
৬২. উত্তর: যে ব্যক্তির দীন ইসলাম সম্পর্কে ন্যূনতম জ্ঞান আছে সে জানে যে, রাফেযী মতবাদ একটি ইসলাম বিরোধী মতবাদ। [ পৃ. ৪৭৯, ৮ম খণ্ড ]।

وآخر دعوانا أن الحمد لله رب العالمين .

* * *

তথ্যসূত্র
* মিনহাজুস সুন্নাহ আন-নবুবিয়্যাহ ( منهاج السنة النبوية ), আবূ আব্বাস শাইখুল ইসলাম তকী উদ্দীন আহমদ ইবন তাইমিয়্যা র.।
তার মুদ্রণ ও প্রকাশনার ব্যাপারে তত্ত্ববধান করেছে ইদারাতুস সাকাফা ওয়ান নাশরি (إدارة الثقافة والنشر), ইমাম মুহাম্মদ ইবন সাউদ ইসলামী বিশ্ববিদ্যালয়; প্রথম মুদ্রণ: ১৪০৬ হি.

* * *
গ্রন্থটি তৈরী করেছেন
শরীফ ইবন আলী আর-রাজেহী
রিয়াদ: পোস্ট বক্স নং (১৫৩২), পোস্ট কোড নং (১১৩৪২)
ই-মেইল: sarajhi@yahoo.com

ডাউনলোড করুন, মূল বইটি-

Advertisements
This entry was posted in ইসলাম এবং প্রচলিত ভুল ধারনা. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s