কুরআন ও হাদিসের আলোকে বিদ’আত

আল্লাহ তাআলা বলেন

অতঃপর সত্যের পর ভ্রষ্টতা ছাড়া কী থাকে? (সূরা ইউনুস আয়াত : ৩২)

আয়াত থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. এ আয়াতে হক তথা সত্য বলতে দীনে ইসলামকে বুঝনো হয়েছে।

দুই. ইসলাম পূর্ণতা লাভ করার পর ইসলামের নামে দীনের মধ্যে যা কিছু সংযোজিত, আবিস্কৃত ও  প্রচলিত হবে সব কিছুই ভ্রান্ত বলে প্রত্যাখ্যাত হবে। আর তা বিদআত বলে গণ্য হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন

আমি এ কিতাবে কোন কিছু বাদ রাখিনি। (সূরা আনআম, আয়াত : ৩৮)

আয়াত থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. আল্লাহ তাআলা কুরআনুল কারীমে সব কিছু যখন বলে দিয়েছেন তখন ধর্মে নতুন কোন বিষয় সংযোজন বা বিয়োজন করার প্রয়োজন নেই। যে কোন ধরনের সংযোজন ও বিয়োজনই বিদআত বলে গণ্য হবে।

আল্লাহ তাআলা বলেন

অতঃপর কোন বিষয়ে যদি তোমরা মতবিরোধ কর তাহলে তা আল্লাহ ও রাসূলের দিকে প্রত্যার্পণ করাও। (সূরা নিসা, আয়াত : ৫৯)

আয়াত থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. যখন কোন বিষয়ে মত বিরোধ সৃষ্টি হবে তখন তার সমাধান আল্লাহ তাআলার কিতাব কুরআনুল কারীম ও রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এর হাদীসে খুঁজতে হবে।

দুই. আল্লাহর বিধানে সমাধান না খুঁজে নিজেদের পক্ষ থেকে যুক্তি দিয়ে কোন বিষয় সংযোজন ও বিয়োজন করা যাবে না। কুরআন-সুন্নাহর মূল ধারার বাইরে কোন ব্যাখ্যা দাঁড় করানো যাবে না।

আল্লাহ তাআলা বলেন

আর এটি তো আমার সোজা পথ। সুতরাং তোমরা তার অনুসরণ কর এবং অন্যান্য পথ অনুসরণ করো না, তাহলে তা তোমাদেরকে তাঁর পথ থেকে বিচ্ছিন্ন করে দেবে। (সূরা আনআম, আয়াত : ১৫৩)

আয়াত থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. আয়াতটি সূরা আনআমে বর্ণিত আল্লাহ তাআলার দশটি নির্দেশের একটি।

দুই. আল্লাহ তাআলা যা কিছু করতে বলেছেন। আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম থেকে যা কিছু প্রমাণিত, সেটা হল সঠিক পথ। আর যা কিছু প্রমাণিত নয় তা অনুসরণ করা যাবে না। কারণ তা বক্র পথ। সে পথে আছে বিভ্রান্তি।

তিন. সত্য, সঠিক ও সরল পথ একটিই। আর তা হল ইসলাম। ইসলাম বাদে আছে আরও অনেক পথ। কিন্তু সেগুলো সত্য, সঠিক ও সরল নয়।  সেগুলো বিদআত।

আল্লাহ তাআলা বলেন

বল, ‘যদি তোমরা আল্লাহকে ভালবাস, তাহলে আমার অনুসরণ কর, আল্লাহ তোমাদেরকে ভালবাসবেন এবং তোমাদের পাপসমূহ ক্ষমা করে দেবেন। তিনি ক্ষমাশীল, পরম দয়ালু। (সূরা আলে ইমরান, আয়াত: ৩১)

আয়াত থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল:

এক. আল্লাহ তাআলাকে ভালবাসার দাবী হল রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম-কে অনুসরণ করা। যে রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ পরিত্যাগ করে সে মূলত: আল্লাহকে ভালবাসে না।

দুই. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামকে অনুসরণ করে আল্লাহ তাআলাকে ভালবাসলে আল্লাহ তাআলার পক্ষ থেকে ভালবাসা লাভ করা যাবে।

তিন. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ আল্লাহকে ভালবাসার প্রমাণ।

চার. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণ করলে আল্লাহ তাআলার ভালবাসা পাওয়ার সাথে সাথে তাঁর ক্ষমা লাভ করা যাবে।

পাঁচ. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের অনুসরণের দাবী হল, সকল প্রকার বিদআত পরিহার করা। বিদআত থেকে দূরে থাকা। কারণ, তিনি বিদআতে লিপ্ত হতে নিষেধ করেছেন।

হাদীস – ১.

আয়েশা রাদিয়াল্লাহু আনহা থেকে বর্ণিত, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  বলেছেনঃ যে ব্যক্তি আমাদের এ বিষয়ে (ধর্মীয় বিষয়ে) এমন কিছু সৃষ্টি করবে যা এর থেকে (প্রমাণিত) নয়, তা প্রত্যাখ্যাত। (বুখারী ও মুসলিম)

মুসলিমের একটি বর্ণনায় এসেছে : যে ব্যক্তি এমন কোন কাজ করবে যার প্রতি আমাদের নির্দেশ নেই তা প্রত্যাখ্যাত।

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল

এক. বিদআত ইসলামে নিষিদ্ধ। ইহুদী ও খৃষ্টধর্মসহ অন্যান্য আসমানী ধর্মগুলো বিদআতের কারণেই নি:শেষ হয়ে গেছে। ধর্মে নতুন বিষয় প্রচলন করার কারণে এ সব ধর্মের মূল কাঠামো আর অবশিষ্ট থাকেনি।

দুই. আলোচ্য হাদীসে ‘আমাদের এ বিষয়ের মধ্যে’ বাক্য দ্বারা ইসলামের ধর্মীয় বিষয় বুঝানো হয়েছে। ইসলামের ধর্মীয় আচার-আচরণে কোন নতুন বিষয় সংযোজন, প্রচলন, আবিস্কার করা যাবে না। অতএব জাগতিক ও পার্থিব বিষয়ে নতুন আবিস্কার, উদ্ভাবন বা নতুন কিছুর প্রচলন নিষিদ্ধ ও প্রত্যাখ্যাত নয়।

তিন. ধর্মে নতুন বিষয় প্রচলন করা, আবিস্কার করা যেমন অন্যায়, তেমনি এর অনুসরণ করে তা পালন করাও অন্যায়।

হাদীস – ২.

জাবের রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  যখন খুতবা দিতেন তখন তাঁর চক্ষুদ্বয় লাল হয়ে যেত। কন্ঠস্বর উচ্চ হয়ে যেত। রাগত ভাব প্রচন্ডভাবে প্রকাশ পেত। মনে হত তিনি কোন সৈন্যবাহিনীকে সতর্ক করছেন যে, সকালে বা বিকালেই শত্রু বাহিনী এসে পড়বে। তিনি আরো বলতেন, আমি আর কেয়ামত এমন নিকটবর্তী, এ কথা বলে মধ্যমা ও তর্জনী আঙ্গুল দুটো একত্র করতেন। তিনি আরো বলেনঃ জেনে রাখ! সবচেয়ে ভাল কথা হচ্ছে আল্লাহর কিতাব। আর সর্বোত্তম আদর্শ হচ্ছে  মুহাম্মাদ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের আদর্শ। আর ধর্মের মধ্যে সবচেয়ে খারাপ হচ্ছে ধর্মে নতুন সৃষ্টি। (এটা বিদআত) আর সব বিদআতই পথভ্রষ্টতা।

তারপর তিনি বলেনঃ আমি প্রত্যেক মুমিনের নিকট তার প্রাণের চেয়ে আপন। যে ব্যক্তি কোন সম্পদ রেখে মারা যায়, তা তার পরিবারের জন্য। আর যে ব্যক্তি কোন ঋণ অথবা অসহায় সন্তান রেখে মারা যায়, তাহলে তাদের দায়িত্ব আমার উপরই। (মুসলিম)

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল

এক. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের খুতবা ও ভাষণ দানের পদ্ধতি জানা গেল। তিনি উচ্চ কন্ঠে, একজন বীর সেনাপতির মত ভাষণ দিতেন। আর এভাবে খুতবা প্রদান সুন্নত, তাতে সন্দেহ নেই।

দুই. কেয়ামত আর রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের আগমন খুবই নিকটবর্তী। মানে এর মধ্যবর্তী সময়ে আর কোন নবী বা রাসূলের আগমন ঘটবে না।

তিন. খুতবা বা ভাষণে হাত দিয়ে ইশারা-ইঙ্গিত করা সুন্নত।

চার. সর্বোত্তম কথা ও সর্বোত্তম আদর্শ সম্পর্কে জানতে পারলাম। একইভাবে সবচেয়ে খারাপ বিষয় সম্পর্কেও জানতে পারলাম। আর তা হল বিদআত। কারণ, সকল বিদআতই মানুষকে পথভ্রষ্ট করে। যেমন খৃষ্ট ধর্মে বিদআত খৃষ্টানদেরকে পথভ্রষ্ট করে পৌত্তলিকতায় লিপ্ত করেছে।

পাঁচ. প্রত্যেক মুমিন ব্যক্তির কাছে তার প্রাণ যেমন আপন, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  তার চেয়েও আপন।

ছয়. তিনি এই খুতবাতে ইসলামী রাষ্ট্রের একটি গুরুত্বপূর্ণ মূলনীতি বর্ণনা করলেন। তা হল, কোন ব্যক্তি ঋণ রেখে মারা গেলে তা আদায় করা রাষ্ট্রের দায়িত্ব। এমনিভাবে অসহায় সন্তান রেখে মারা গেলে তার লালন-পালনের দায়িত্বও পালন করবে রাষ্ট্র। কিন্তু যদি কোন সম্পদ রেখে মারা যায় তা পাবে তার পরিবারের লোকজন । রাষ্ট্র বা সরকার তা গ্রহণ করতে পারবে না।

সাত. জুমার খুতবায় লোকদেরকে বিদআত সম্পর্কে সতর্ক করা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের একটি সুন্নাত।

 

বিদআত প্রসঙ্গে আরেকটি হাদীস

আবু নাজীহ ইরবাজ ইবনে সারিয়াহ রাদিয়াল্লাহু আনহু থেকে বর্ণিত, তিনি বলেন, একবার রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  আমাদের উদ্দেশ্যে এমন এক বাগ্মীতাপূর্ণ ভাষায় ওয়াজ করলেন, তাতে আমাদের হৃদয় সন্ত্রস্ত হয়ে গেল আর চোখ থেকে অশ্রুপ্রবাহিত হতে লাগল। আমরা বললাম, ইয়া রাসূলাল্লাহ! এটা যেন আপনার বিদায়ী উপদেশ। আপনি আমাদের আরো উপদেশ দিন। তিনি বললেন: আমি আল্লাহর ব্যাপারে তাকওয়া অবলম্বনের জন্য তোমাদের উপদেশ দিচ্ছি। আরো উপদেশ দিচ্ছি, তোমরা তোমাদের নেতার অনুসরণ ও আনুগত্য করবে। যদি হাবশী গোলাম তোমাদের আমীর নির্বাচিত হয়, তবুও। আর তোমাদের মধ্যে যে জীবিত থাকবে সে অনেক মতভেদ দেখতে পাবে। তখন তোমাদের কর্তব্য হবে, আমার সুন্নাত আঁকড়ে ধরা ও সৎপথপ্রাপ্ত খোলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শ অনুসরণ করা। এ সুন্নাত ও আদর্শকে খুব মজবুতভাবে ধারণ করবে। আর (ধর্মের মধ্যে) সকল প্রকার নবসৃষ্ট বিষয় থেকে দূরে থাকবে। জেনে রাখো, প্রত্যেকটি বিদআতই পথভ্রষ্টতা। (আবু দাউদ, তিরমিজি)

হাদীস থেকে শিক্ষা ও মাসায়েল

এক. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  এমন ভাষায় ও ভঙ্গিতে ওয়াজ করতেন যাতে শ্রোতাদের চোখে পানি এসে যেত।

দুই. সাহাবায়ে কেরাম সর্বদা রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লামের  ওয়াজ-নসীহত, খুতবা-বক্তৃতা শোনার জন্য উদগ্রীব থাকতেন। এতে তারা কখনো ক্লান্তি বোধ করতেন না।

তিন. তাকওয়া বা সর্বক্ষেত্রে আল্লাহ ভীতির নীতি অনুসরণ করার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  সর্বদা উম্মতকে নির্দেশ দিয়েছেন। প্রতিটি ভাষণ ও খুতবাতে তিনি তাকওয়া অবলম্বন করার উপদেশ দিতেন।

চার. শাসকদের আনুগত্য করা ইসলামে অপরিহার্য। তাদের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে অস্ত্রধারন করা, বিদ্রোহ করা, আইন নিজের হাতে তুলে নেয়া, তাদের আনুগত্য থেকে বের হওয়া ইত্যাদি গুরুতর পাপ। তবে তাদের সংশোধনের জন্য কাজ করা, আনুগত্যের মধ্যে থেকে সংশোধনের উদ্দেশ্য নিয়ে তাদের অন্যায়গুলোর সমালোচনা করা দোষের কিছু নয়।

পাঁচ. শাসক যদি অযোগ্য, অপদার্থ হয় তবুও তার আনুগত্য থেকে বের হয়ে যাওয়া যাবে না। কারণ মুসলিম অথারিটি ইসলামের জন্য একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয়। যদি মুসলমানদের নেতৃত্ব দেয়ার মত অথারিটি না থাকে তাহলে ইসলামের অস্তিত্ব বিপন্ন হবে। প্রত্যেকে যার যার খুশী মত ইসলাম অনুসরণ করবে। ফলে ইসলামের একটি অভিন্ন রূপ কোথাও খুঁজে পাওয়া যাবে না।

ছয়. সর্বক্ষেত্রে একজন মুসলিম রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ অনুসরণ করবে। তারপর খোলাফায়ে রাশেদীন -আবু বকর রা. উমার রা. উসমান রা. ও আলী রা.- এর আদর্শ অনুসরণ করবে। আর যখন কোন বিষয়ে মতভেদ দেখা দিবে তখন রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহর অনুসরণ আরো জরুরী হয়ে পড়ে। আর সুন্নাহ অনুসরণ করার মাধ্যমে ইখতেলাফ দূর হয়ে উম্মতের মধ্যে ঐক্য কায়েম হতে পারে। তাই কুরআন ও সুন্নাহ হল ইসলামী ঐক্যের মূলভিত্তি। আর বিদআত হল উম্মতকে বিভক্ত করার একটি বড় মাধ্যম।

সাত. রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়াসাল্লাম  ও তার খোলাফায়ে রাশেদীনের আদর্শের বিপরীত যা কিছু ধর্ম হিসাবে চালু হবে তার নাম বিদআত। বিদআত হল সুন্নাহর বিপরীত। বিদআত ইসলামে একটি মারাত্মক অপরাধ।

আট. এ হাদীসে বিদআত থেকে দূরে থাকার জন্য রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লাম  সকলকে সতর্ক করেছেন। বিদআত হল, ধর্মের নামে ধর্মের মধ্যে নতুন আবিস্কৃত বিষয়। যা আল্লাহ বলেননি, রাসূলুল্লাহ সাল্লাল্লাহু আলাইহি ওয়া সাল্লামের সুন্নাহ দ্বারা যা প্রমাণিত নয়, সাহাবায়ে কেরামের কেউ যা করেননি তা দীনি বা সওয়াবের কাজ বলে আমল করার নাম হল বিদআত। বিদআত যেমন কর্মে হয় তেমনি আকীদা- বিশ্বাসেও হয়ে থাকে।

নয়. ‘ধর্মের জন্য নতুন বিষয়ের প্রচলন’ আর ‘ধর্মের মধ্যে নতুন বিষয়ের প্রচলন’ এ দুয়ের মধ্যে পার্থক্য আছে। প্রথমটি বিদআত নয়। দ্বিতীয়টি বিদআত। প্রথমটি উদাহরণ হিসাবে আজকের যুগের মাদরাসা শিক্ষা প্রতিষ্ঠান, আজান ও নামাজে মাইক ব্যবহার, ইসলামের দাওয়াতে টিভি, ইন্টারনেট ইত্যাদির ব্যবহার পেশ করা যেতে পারে। এগুলো সব ধর্মের জন্য প্রচলন করা হয়েছে। আর দ্বিতীয় প্রকারের উদাহরণ হিসাবে মীলাদুন্নবী উদযাপন, শবে বরাত পালন, ওরস অনুষ্ঠান ইত্যাদি পেশ করা যেতে পারে। এগুলো হল ধর্মের মধ্যে নতুন আবিস্কার।

Advertisements
This entry was posted in বিদ'আত. Bookmark the permalink.

মন্তব্য করুন

Fill in your details below or click an icon to log in:

WordPress.com Logo

You are commenting using your WordPress.com account. Log Out / পরিবর্তন )

Twitter picture

You are commenting using your Twitter account. Log Out / পরিবর্তন )

Facebook photo

You are commenting using your Facebook account. Log Out / পরিবর্তন )

Google+ photo

You are commenting using your Google+ account. Log Out / পরিবর্তন )

Connecting to %s